তেমন কিছু না

টেলিগ্রামের আরো ১২টি টিপস, যার কিছু হয়ত অজানা-ই ছিলো!

এর আগে আমরা টেলিগ্রামের ১২টি টিপস শেয়ার করেছিলাম, দেখে নিতে পারেন এখান থেকে। এই পোস্টে আরো ১২টি টিপস তুলে ধরা হচ্ছে। আগের বারের মতই এই পোস্টের টিপসগুলো মূলত টেলিগ্রামের রেগুলার কিছু ফিচারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া- জীবন বদলে দেয়া সিক্রেট কোন ট্রিকস বা এরকম কিছু না। অনেকেই হয়ত এর অনেকগুলোই আগে থেকে জানতেন, তবে কয়েকটি হয়ত অজানা-ই ছিলো! ১. টেলিগ্রাম APK গুগল প্লে স্টোরের কিছু পলিসি রয়েছে, যেমন- তাদের নিয়মনীতি মেনে চলা, ইন অ্যাপ পারচেজের ক্ষেত্রে তাদের পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করা প্রভৃতি। এর অন্যথা হলে প্লে স্টোর থেকে তারা কোন অ্যাপ সরিয়ে নিতে পারে। এজন্য টেলিগ্রাম অ্যান্ড্রয়েড ইউজারদের জন্য সরাসরি তাদের ওয়েবসাইট থেকে APK ডাউনলোড করে ইন্সটল করাটা প্রিফার করে। প্লে স্টোর ভার্সন থেকে APK ভার্সনটি একটু কম রেস্ট্রিকটেড, যদিও এর প্রভাব ততটা দৃশ্যমান নয়। আরেকটি পার্থক্য হলো আপডেট প্রাপ্তি। APK ভার্সনটি সরাসরি টেলিগ্রামের পক্ষ থেকে আপডেট পায়। ফলে প্লে স্টোরে আপডেট আসার কিছু আগেই নতুন আপডেট পেতে পারেন। আপডেট…

আরো পড়ুনটেলিগ্রামের আরো ১২টি টিপস, যার কিছু হয়ত অজানা-ই ছিলো!

Asus ExpertBook B1 B1500, আমার নতুন ল্যাপটপ

একটা দীর্ঘ সময় ধরে তালবাহানা করার পর ডিসেম্বারে বাসা দিয়ে ল্যাপটপ কিনে দেওয়ার কথা, তবে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে শঙ্কায় ছিলাম বলে তখন নিই নি। তখন কথা ছিল কোর আই ৩ ল্যাপটপ কেনা, তবে তকদিরে ছিল কোর আই ৫। প্রথমে HP ProBook সিরিজের ল্যাপটপ কেনার চিন্তা করলেও কেনার সময় Asus ExpertBook B1 সিরিজের ল্যাপটপ নিই। এটি মিলিটারি গ্রেডের ল্যাপটপ। ল্যাপটপটি Ryans Computers এর খুলনা শাখায় অফলাইনে অর্ডার করেছিলাম। তাদের স্টকে না থাকায় ঢাকা শাখা থেকে এনে দিয়েছিলো। তবে ভাবিনি অর্ডার করার ২ দিনের মধ্যে পণ্য হাতে পাবো। ASUS ExpertBook সিরিজের ল্যাপটপগুলো বিজনেস ও অফিসিয়াল ব্যবহারের দিকে ফোকাসড হয়ে থাকে, বহনযোগ্যতা এই সিরিজে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয় এবং আসুস বলছে এই ল্যাপটপগুলোতে রয়েছে মিলিটারী গ্রেড টাফনেস। অর্থাৎ লাইটওয়েট অথচ মজবুত এবং পাওয়ারফুল ল্যাপটপ অফার করছে ExpertBook সিরিজ। ASUS এই সিরিজে ৩ বছরের আন্তর্জাতিক ওয়ারেন্টি দিচ্ছে, যেখানে VivoBook এর ক্ষেত্রে তা ২ বছরের। ExpertBook সিরিজের অধীনে অনেকগুলো সাবসিরিজ আছে। B1 সিরিজটি ExpertBook-এর মধ্যে…

আরো পড়ুনAsus ExpertBook B1 B1500, আমার নতুন ল্যাপটপ

IUT: ভার্চুয়াল ভার্সিটি জীবন যেমন চলছে

৩ বছর ১০ মাসের মধ্যে নামের শুরুতে “ইঞ্জিনিয়ার” শব্দ যুক্ত করতে পারার ব্যাপারটা আকর্ষণীয় শোনায়, তবে এর প্রক্রিয়াটা মোটেও তেমনটি নয়। জীবনকে যতরকমে দুর্বিসহ করে তোলা দরকার হয়, তা করেই আসলে IUT এই সময়ের মধ্যে তাদের BSc Engineering কোর্স সমাপ্ত করে থাকে। যদি বড় ভাইদের কথায় কারো এই বিশ্বাস জন্মে থাকে, ভার্সিটিতে উঠলে কোন প্যারা নেই, চিল, তাহলে অন্তত ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার শখ থাকলে ওসব কথা ভুলে যাওয়াই ভালো। IUT-তে আমাদের ক্লাস শুরু হয়েছিলো ৭ জুন এবং নিয়নবাতিতে আমি সর্বশেষ পোস্ট করেছিলাম ৮ জুন। বলছি না এই ১ মাস ১৫ দিন পোস্ট না করার একমাত্র কারণ IUT, তবে অবশ্যই সবচেয়ে বড় কারণ ওটাই। অ্যাসাইনমেন্ট করেই কূল পাইনে, আর ব্লগ 😅 এই লেখা শুরু করেছিলাম ৯ জুন এবং পাবলিশ করছি আজ, ২৩ জুলাই ২০২১, যখন ঈদের ছুটি চলছে। তবে সত্যি কথা বলি, ভার্সিটি জীবনের শুরুর সময়গুলো আমার কাছে চমৎকার লাগছে আলহামদুলিল্লাহ। গতিময় জীবনে এক আশ্চর্য ছন্দপতনে সবকিছু যেন বদলে গেছে, অনেকের জন্যই…

আরো পড়ুনIUT: ভার্চুয়াল ভার্সিটি জীবন যেমন চলছে

নিয়নবাতির নতুন রূপ নিয়ে কিছু কথা…

হ্যা, অবশ্যই শুধু নিজের কাছে ভালো লাগলেই হলো এমন না, তবে নিজেরই যদি ভালো না লাগে, অন্যদেরই বা কেন লাগবে বলুন?
আরো পড়ুননিয়নবাতির নতুন রূপ নিয়ে কিছু কথা…

জরিন ওএস ১৬ এর প্রথম অনুভূতি (বিটা ভার্সন)

অনেক দীর্ঘ একটা সময় হয়ে গেলো, সম্ভবত প্রায় ৮ মাস, পিসিতে নতুন কোন অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা হয় না। আমার স্বাভাবিক স্বভাবের সাথে ব্যাপারটা যায় না। কেননা এমন দিনও আমার জীবনে কম নয়, যখন একদিনে দুতিনটা ওএস ইন্সটল করেছি। কিন্তু এখন অনেকটা স্ট্যাবল হয়ে এসেছি। পিসিতে আসলে উবুন্টু, পপ ওএস আর ডিপিন ইন্সটল করা ছিলো এই সময়টাতে, যার মধ্যে মূলত ব্যবহার করতাম ডিপিন। এখন জরিন ওএস সহ মোট ৪টি ওএস ইন্সটল আছে পিসিতে। জরিন ওএস ১৬ কিন্তু এখনো ফাইনাল রিলিজ হয়নি, মানে বিটা স্টেজে আছে। আর অবশ্যই আমি যেটা চালাচ্ছি, সেটা হলো কোর এডিশন, যেটা ফ্রি। জরিন ওএসের কিন্তু একটি পেইড আল্টিমেট এডিশনও আছে, এতে কিছু এক্সট্রা অ্যাপস ও ফিচার থাকে, তবে বিটা ভার্সন হিসেবে শুধু কোর এডিশনটিই এভেইলেবল, আর আমার পকেটে ডলারও নেই। যতটুকু ব্যবহার করেছি, জরিন ওএস ১৫ থেকে অনেক নতুনত্ব এবং ইমপ্রুভমেন্ট অবশ্যই এতে আছে। তবে এর আগে জরিন ওএস ১২ থেকে ১৫-তে (১৩, ১৪ নাম্বার স্কিপ…

আরো পড়ুনজরিন ওএস ১৬ এর প্রথম অনুভূতি (বিটা ভার্সন)

অবশেষে এইচএসসি ২০২০ এর ফলাফল প্রকাশিত…

তেমন কিছু না, ১০ মাসব্যাপী এইচএসসি ২০২০ নাটকের সমাপ্তিতে আবেগে আপ্লুত হয়ে পোস্ট করলাম, বাদবাকি তো জানেনই… (রেজাল্ট দেখার ঠিকানা)

আরো পড়ুনঅবশেষে এইচএসসি ২০২০ এর ফলাফল প্রকাশিত…

মেভবুক নিয়ে হতাশ হয়েছি…

বাংলাদেশি বেশ কিছু সামাজিক মাধ্যমের সাথে এর আগেও অভিজ্ঞতা হয়েছে। কিছুদিন আগে ‘কথা’ একটি সামাজিক মাধ্যম কিছু জনপ্রিয় টেক ইউটিউবারের মাধ্যমে রিভিউ করার পর বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছিলো, যদিও শুধু অ্যান্ড্রয়েড আর আইফোনের জন্য বলে খুব বেশি ব্যবহার করা হয়নি, তবে এখনও এটি শক্ত অবস্থানে বলেই জানতে পারলাম। অন্যদিকে আলাপনা, ফ্রুটিবুক, তুমি-আমিসহ বেশ কিছু এসেছে, কিছুদিনের মধ্যেই হারিয়ে গেছে। অনেক অনেক বছর আগে শুরু হওয়া বেশতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি অন্য সবার থেকে একদমই আলাদা ইন্টারফেস ও ফিচার নিয়ে অবশ্য এখনো আছে, কিন্তু এক্টিভিটি প্রায় শূন্য। যাইহোক, এটা পরিষ্কার যে ফেসবুকের আধিপত্যের মধ্যে নতুন একটি সামাজিক যোগাযোগের প্রতিষ্ঠিত হওয়া, বা ‘ফেসবুকের বিকল্প’ হওয়ার পর্যায়ে যাওয়া এটা খুবই কঠিন। বিশেষ করে, শুধু ‘বাংলাদেশি’ সোশ্যাল মিডিয়া হওয়াটা এর কারণ হিসেবে যথেষ্ট নয়। মেভবুক কিন্তু নিজেদেরকে অনেকটা ফেসবুকের বিকল্প একটি বাংলাদেশি সামাজিক মাধ্যম হিসেবেই প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে এবং একই টিমের অধীনে পরিচালিত নিউজ পোর্টাল, Mev Times-এ  এধরণের প্রতিবেদন-ই প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের স্লোগান হলো…

আরো পড়ুনমেভবুক নিয়ে হতাশ হয়েছি…

00110010 00110000 00110010 00110001 00100001

01000110 01101001 01101110 01100001 01101100 01101100 01111001 00100001 00100000 01010100 01101000 01101001 01110011 00100000 01101001 01110011 00100000 01101110 01101111 01110111 00100000 00110010 00110000 00110010 00110001 00100000 01100001 01101110 01100100 00100000 01110111 01100101 01101100 01100011 01101111 01101101 01100101 00100000 01110100 01101111 00100000 01100100 01101001 01100111 01101001 01110100 01100001 01101100 00100000 01000010 01100001 01101110 01100111 01101100 01100001 01100100 01100101 01110011 01101000 00101110 00100000 01010100 01100101 01101101 01101111 01101110 00100000 01101011 01101001 01100011 01101000 01110101 01101001 00100000 01101110 01100001 00101100 00100000 01101010 01110101 01110011 01110100 00100000 01001001 00100000 01110100 01101000 01101111 01110101 01100111 01101000 01110100 00100000 01001001 00100000 01101101 01100001 01111001 00100000 01110000 01101111 01110011 01110100 00100000 01100001 00100000 01100100 01101001 01100111 01101001 01110100 01100001 01101100 00100000 01100001 01110010 01110100 01101001 01100011 01101100 01100101 00100000 01100001 01101110 01100100 00100000 01110011 01101111 00100000 01001001 00100000 01100100 01101001 01100100 00101100 00100000 01110100 01101000 01100001 01110100 00100111 01110011 00100000 01100001 01101100 01101100 00101110 00101110 00101110 00100000…

আরো পড়ুন00110010 00110000 00110010 00110001 00100001

গিম্প ব্যবহার করে আধ মিনিটে ব্লাকহোল আঁকা (টেক ফান)

কতদিন হলো? ঠিক মনে নেই, সম্ভবত বছরখানেক আগে প্রথমবারের মত ব্লাকহোলের একটি সত্যিকারের ছবি তুলতে সক্ষম হয় মানুষ। সে এক বিশাল আয়োজন। তবে ব্লাকহোল আঁকা সে তুলনায় বেশ সহজ। আমরা গিম্প ব্যবহার করে ব্লাকহোল এঁকে দেখাচ্ছি। প্রথমেই গিম্প ওপেন করতে হবে। গিম্প অন্য অনেক গ্রাফিক্স ডিজাইনারের তুলনায় খুব দ্রুত ওপেন হয়। এবার একটা নতুন ছবি তৈরি করতে হবে (File>New…)। সাইজ দিচ্ছি 1080*1080। এখন আমরা বাকেট ফিল টুল নিচ্ছি এবং পুরো ছবিটি কালো রং দ্বারা পূর্ণ করছি। এক্সপোর্ট করার জন্য ctrl+E চাপছি এবং Blackhole.png হিসেবে সেভ করছি। পুরো প্রসেসে ২০ সেকেন্ডও প্রয়োজন নেই। এটাই আসল ব্লাকহোল। ইহা দেখা যায় না। তাও কেউ কেউ কমলা কালারের ইভেন্ট হরাইজন ছাড়া ব্লাকহোল মানতেই চায় না, কোন সমস্যা নেই। Eclipse Selection টুল সিলেক্ট করে সিলেক্ট মেনু থেকে বর্ডার করে নিন এবং কমলা কালারে ফিল করুন। সব মিলিয়ে আধ মিনিট আশেপাশে হয়ে যাবে আশা করি। (ইহা শুধু একটি ফান পোস্ট। সিরিয়াস হওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।)

আরো পড়ুনগিম্প ব্যবহার করে আধ মিনিটে ব্লাকহোল আঁকা (টেক ফান)