এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সঠিক জানা আছে তো?

সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?

না, এতদিন আপনি ভুল জেনে আসেননি। এটা সঠিক যে, মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। তবে, সেটা তখনই যখন আমরা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাপবো। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ার উচ্চতা ৮,৮৫০ মিটার।

অন্যদিকে মাওনা কেয়া (Mauna Kea) নামে একটি পর্বত আছে, যার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা এভারেস্টের অর্ধেকেরও কম, মাত্র ৪,২০৫ মিটার। কিন্তু সমুদ্র তলদেশে যেখানে পর্বতের সূচনা হয়েছে, সেখান থেকে মাপলে মাওনা কেয়ার উচ্চতা ১০,০০০ মিটারের বেশি, যা এভারেস্টকে ছাড়িয়ে যায়।

আবার, পৃথিবী যেহেতু পুরোপুরি সুষম গোলক না, তাই পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মাপলে আমরা আরেকটি পর্বতকে সর্বোচ্চ পর্বত হিসেবে পাবো। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পর্বত চিম্বরাজো (Mount Chimborazo)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে চূড়ার উচ্চতা ৬,৩১০ মি, তবে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে উচ্চতা ৬,৩৮৪ কিমি, যা মাউন্ট এভারেস্ট থেকে ২ কিমি বেশি।

সোর্স: https://geology.com/records/highest-mountain-in-the-world.shtml

স্বপ্নের স্থায়িত্ব কতক্ষণ?

আমরা কতক্ষণ স্বপ্ন দেখি এই প্রশ্ন করা হলে অনেকরকম উত্তর আসতে পারে। কেউ হয়ত বলবেন সেকেন্ডের ভগ্নাংশ, কেউ বলবেন দুই-তিন সেকেন্ড, কেউ দশ সেকেন্ড। আমি জানি না, কেন এরকম ধারণা এত প্রচলিত। এর কিছু ব্যাখ্যাও করা হয়। যেমন, স্বপ্ন পঞ্চমাত্রিক, আর মাত্রা বাড়লে সময় বেশি মনে হয়। অথবা আমাদের মস্তিষ্ক খুবই কম সময়ে স্বপ্নের ডেটাগুলো কালেক্ট কর, তারপর ধীরে ধীরে প্রদর্শন করে।

তবে, এই ধারণাটা একদমই ঠিক নয়। আমাদের স্বপ্নের সময়সীমা বিভিন্নরকম হতে পারে। সেটা কয়েক সেকেন্ড হতে পারে, কয়েক মিনিটও হতে পারে। প্রায়সময়ই এটা বিশ থেকে তিরিশ মিনিট পর্যন্ত হয়ে থাকে।

সোর্স: https://en.m.wikipedia.org/wiki/Dream

সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রাণী কোনটি?

এটা সত্য যে, চিতাবাঘ স্বল্প দূরত্বে দৌড়ানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে দ্রুতগামী, তারা গড়ে প্রায় ৯৩ কি.মি/ঘন্টা সর্বোচ্চ বেগ অর্জন করতে পারে এবং কোন কোন চিতাবাঘ আর দ্রুতগামী হতে পারে। তিন সেকেন্ডের কম সময়ে তারা এরকম বেগ অর্জন করতে পারে, তবে সাধারণত বেশিরভাগ চিতা একবারে মিনিটখানেকের বেশি দৌড়ায় না।

তবে, আমরা যদি কোন শর্ত ছাড়া সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রাণীর কথা বলি, তাহলে যে প্রাণীর কথা বলতে হবে তা একটি পাখি, পেরেগ্রিন ফ্যালকন, যাদের কিনা সর্বোচ্চ ৩৮৯ কি.মি/ঘন্টা গতিতে ওড়ার রেকর্ড রয়েছে। ম্যামালদের মধ্যে মেক্সিকান ফ্রি-টেইলড ব্যাট ১৬০ কি.মি/ঘন্টা গতিতে ওড়ার রেকর্ড করেছে। ব্লাক মার্লিন নামক মাছের ১৩২ কি.মি/ঘন্টা গতিতে সাঁতারের অভিজ্ঞতা আছে।

অন্যদিকে, দীর্ঘ দূরত্বে ডাঙার প্রাণীদের মধ্যে শীর্ষে Pronghorn, সর্বোচ্চ গতি জানা গেছে ঘন্টায় ৮৮.৫ কি.মি। তারা ৬ কি.মি পর্যন্ত ৫৬ কি.মি/ঘন্টা বেগে দৌড়াতে পারে।

সোর্স: https://en.m.wikipedia.org/wiki/Fastest_animals

বিদ্যুৎ ব্যবহারে ফ্যানের রেগুলেটরের প্রভাব কি একদমই নেই?

আমরা প্রায় সবাই জানি, ফ্যানের গতি যেরকমই থাকুন না কেন, বিদ্যুৎ খরচ একইরকম হয়। আর হ্যাঁ, সাধারণভাবে এটা সত্য।

আমরা যে রেজিস্টেন্স রেগুলেটর ব্যবহার করে থাকি, সেখানে ফ্যানের গতি কম করার ফলে যে বিদ্যুৎ কম খরচ হওয়ার কথা, তা রেজিস্টরের তাপ বৃদ্ধি করে খরচ হয়ে যায়। ফলে, বিদ্যুৎ খরচ কম হয় না।

তবে, আধুনিক SCR (silicon controlled rectifier) ধরণের রেগুলেটর ব্যবহৃত হলে তা ঘটে না। অর্থাৎ, সেক্ষেত্রে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ কম খরচ হয়।

সোর্স: https://www.quora.com/Does-a-fan-regulator-save-power

Leave a Reply